শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক: | ০৪:০০ পিএম, ২০২৫-০৯-০৬
বার্তা পরিবেশক :
গত বৃহস্পতিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত "দৈনিক আমাদের কক্সবাজারসহ স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় "কানাডা প্রবাসীর মার্কেট দখল ও পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, রামুর খুনিয়াপালংয়ে মার্কেট থেকে পাহাড় পর্যন্ত সাবেক মেম্বার হাবিবের দখলবাজি রাজনৈতিক প্রভাবে অবৈধ জবর দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলো তার হাতিয়ার" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আকাশচুম্বি শব্দচয়নে ও বাক্যবাণে তৈরি এক অলীক গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে নেপথ্যে থাকা একটি বিশেষ শ্রেণির উদ্দেশ্য প্রণোদিত ইন্ধন দ্বারা।
প্রকৃত ঘটনা হলো রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডস্থ সংবাদে বর্ণিত নালিশী জমি আমার খরিদা জমি। তা ব্যক্তিমালিকানাধীন জোত জমি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় স্বঘোষিত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একনিষ্ট কর্মী পরিচয়ে ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে একাধিক চলমান ও একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কানাডায় পলাতক আসামি এম এস আজিজুল হক তা খাসজমি হিসেবে দখলে নিয়ে দোকানপাট করার উদ্যোগ নেন। গত বছরের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে উক্ত নালিশী জমি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও পলাতক আসামি কিংবা তার পরিবার কোনো সাড়া দেননি। ফলশ্রুতিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ শতাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে নালিশী জমি একাধিকবার মাপজোখ করে আমার খরিদা জমি নির্দিষ্ট করে আমি আমার জমি বুঝে নিই। উল্লেখ্য যে, ০৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার থাকাকালে আমি সততা, নিষ্ঠা, সুনাম ও দক্ষতার সাথে জনগণের সেবা প্রদান করি যা সর্বজনবিদিত। সংবাদের শুরুতে আমার রাজনৈতিক পরিচয় ও ছোট ভাইয়ের সার্ভিস পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর কথা বলে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য হলো ছোট ভাই সহকারী জজ হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন ২০১৮ সালে। আর নালিশী জমি নিয়ে আমি কাজ শুরু করি ২০১০ সাল থেকে। আর মার্কেট দখলের কথা বলা হয়েছে। একটা দোকান দিয়ে মার্কেট হয় না। খুনিয়া পালং এর মির্জা আলীর দোকানে একমাত্র মার্কেট আছে তা অন্য ব্যক্তির মালিকানাধীন। কৌশলে তা উল্লেখ না করে অতিরঞ্জিত করে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আজিজ ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে পরিবেশিত সংবাদে। প্রকৃত সত্য হলো আজিজ দেশে থাকাকালে একবার আমাকে পিস্তল দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী আছে সে সময়ের। আর হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয় পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীণ ইনচার্জের মধ্যস্থতায় তার(আজিজের) স্বাক্ষরিত মুচলেকাসহ। উক্ত ঘটনাকে জাগরূক রেখে এম এস আজিজুল হক সদ্য ঘটনা বলে চালিয়ে দেন উল্টোভাবে। তার পরিবার আত্মগোপনে আছেন ভুক্তভোগীদের দায়েরি একাধিক মামলার ফেরারি হিসেবে। যার ভিডিও চিত্র আছে জাতীয় পর্যায়ের টিভি চ্যানেল একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিবেদনে। ভুক্তভোগীদের নাম পরিচয় ব্যবহার করে অভিযোগকারী হিসেবে প্রথমে জনাব অছিউর রহমান এর নাম এসেছে। তাকেসহ আরো অনেককে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেককে জেল খাটানো ও অনেকে জামিনে আছেন বলা হয়েছে সংবাদে। আসল কথা হলো আমার খরিদা দলিলের (২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর) বিপরীতে পরবর্তীতে জনৈক সরওয়ার ইসলাম অছিউর রহমানের প্ররোচনায় ও যোগাসাজশে পুনরায় একই জমি ২০২৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসের ০৫ তারিখে রেজিস্ট্রি করে নিলে আমি একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করি যার নাম্বার: ২১৫/২০২৪(রামু)। উক্ত মামলায় ভুল স্বীকারে সরওয়ারের সাথে আমার বিরোধের নিষ্পত্তি হয় এবং গেল সপ্তাহে সরওয়ার আপোষে অব্যাহতি পায়। অপরদিকে দুবার তদন্ত হলেও অছিউর রহমানের বিরুদ্ধে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ। উক্ত মামলা এখনো চলমান। উল্লেখ্য যে, আমার দায়েরি ফৌজদারি মামলা একটি এবং আসামি দুজন। সরওয়ার উক্ত মামলায় জেল খাটলেও সুকৌশলে তার নাম এ সংবাদে দেয়া হয়নি। আর একমাত্র আসামি অছিউর রহমান বর্তমানে জামিনে আছেন। আবার ৪২ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় নালিশী জমি নিয়ে আমার দায়েরি একটি দেওয়ানি মামলা চলমান আছে। মামলার গুণাগুণ বিচারে সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সিদ্ধান্ত দেবেন বিজ্ঞ আদালত। বিচারাধীন মামলা নিয়ে তাতে জবাব না দিয়ে সকলের জ্ঞাতসারে মিডিয়ায় চ্যালেঞ্জ করা ও বাজে মন্তব্য করা স্পষ্টত আদালত অবমাননার সামিল। উল্লেখ্য যে বাটোয়ারা মামলায় মামলার প্রকৃতির কারণে এর পক্ষ হয় একাধিক তা স্বাভাবিক বিষয়। কারণ তাতে রেকর্ডীয় ও খরিদা(বা অন্যভাবে শরিক) সকলকে পক্ষভুক্ত করতে হয়।
অপরদিকে বনভূমি দখলের বিষয়ে বলা হয়েছে প্রায় ১০০ একর সরকারি পাহাড় দখলের। যা খুবই হাস্যকর ও তীব্র রসাত্মক। খুনিয়া পালং তো দূরের কথা সমগ্র কক্সবাজারে কারো নামে ১০০ একর সরকারি পাহাড়ী জমি থাকা সম্ভব নয়। আবার জজের ক্ষমতা দেখিয়ে বোন জামাই কর্তৃক পাহাড় দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও আমার কর্তৃক বনভূমি ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে সংবাদে। প্রকৃত সত্য হলো হাজী দৌলত হোসেনের পিতা একজন সাবেক বন বিভাগের কর্মচারী ও তিনি নিজেও একজন ভিলেজার। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি একটি ছোট্ট কুটরি ঘর নির্মাণে তিনিসহ আশেপাশে আরো দু চারশো পরিবার বসবাস করে আসছেন। আর জজের ক্ষমতা তো দূরের কথা সে সময় আজকের জজ সাহেব ছিলেন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। আরো প্রকৃত সত্য হলো এম এস আজিজুল হকের বোন জামাই সরওয়ার ও তার পরিবারের বসতবাড়ি সরকারি বনভূমির পাহাড় অবৈধভাবে দখল করে পাহাড় কেটে উক্ত পাহাড়ের ওপর নির্মিত যা আজও বিদ্যমান। উক্ত পাহাড়ের ওপর একটা মোবাইল কোম্পানির টাওয়ারও রয়েছে। যা কোনো প্রকার আইন না মেনে অবৈধভাবে করা হয়েছে এবং তার বিরূপ প্রভাব স্থানীয় পরিবেশের ওপর পড়ছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানের বরাত দিয়ে তার বক্তব্যে আমার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। প্রকৃত সত্য হলো আমি গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম এবং আমার বিরুদ্ধে কেউ কোথাও লিখিতভাবে অভিযোগ দেননি। এভাবে প্রত্যেকটা বিষয়ে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে ভিন্নভাবে সাজিয়ে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করার বিষয়টি মানহানিকর বটে। আমি উক্ত মানহানিকর, মিথ্যা ও মনগড়া সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব)
পিতা: ফররুখ আহমদ
গ্রাম: দক্ষিণ খুনিয়া পালং, ০৩নং ওয়ার্ড,
ডাকঘর: রাবেতা হাসপাতাল-৪৭০০,
থানা: রামু
জেলা: কক্সবাজার।
টেকনাফ প্রতিনিধি : : সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বোট থেকে ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেà...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের উদ্যোগে বিভিন্ন মাদক মামলার ৯৯ কোটি ৩১ লà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের টেকনাফ পাহাড়ি অঞ্চল অপহরণকারী ও ডাকাত দলের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আ...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী হাফেজ মো. আবদুল্লাহ (৩৫–৩৬) নিখোঁজ হয়েছেন। গত সোমবার (২৮ সেপ্à...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রানওয়ে প্রস্তুত, আধুনিক টার্মিনালও প্রস্তুত। অবকাঠামোর বড় অংশের কাজ শেষ হলেও সামনে রয়েছে আরেক চ্à¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited