শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৭:২৫ পিএম, ২০২৬-০৯-১৯
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী চার বাংলাদেশি হাফেজকে সচিবালয়ে সংবর্ধনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে এ সময় বিজয়ী শিশু হাফেজদের হাতে উপহার হিসেবে ইসরায়েলি লেখক যুবাল নোয়াহ হারারির লেখা বিতর্কিত বই ‘নেক্সাস’ তুলে দেয় তারেক রহমান। ধর্মীয় শিক্ষা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দৃষ্টিভঙ্গির এ বই শিশু হাফেজদের উপহার দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জানা যায়, হারারির রচিত গ্রন্থাবলীতে ধর্ম ও ধর্মীয় ভাবধারাকে মূলধারার ইতিহাস বা বিজ্ঞানের বদলে একটি ‘কাল্পনিক রূপকথা’ বা ‘মিথ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তার বইয়ের বিভিন্ন বক্তব্যে ধর্ম, ওহী, নবুয়ত, মানুষের সৃষ্টিগত মর্যাদা এবং ধর্মগ্রন্থের উৎস সম্পর্কে এমন কিছু দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে, যা ইসলামি আকিদা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যেমন-
১. ধর্ম ও ওহীকে ‘কাল্পনিক রূপকথা’ বলা: হারারি তার বইয়ে স্পষ্ট দাবি করেছে যে, ইসলামসহ পৃথিবীর বড় বড় ধর্মগুলো আসলে কোনো সৃষ্টিকর্তার বাণী বা ওহীর মাধ্যমে আসেনি। এগুলো নাকি আদিম মানুষের তৈরি করা গল্প বা ‘মিথ’ মাত্র, যা মানুষকে একত্রে ধরে রাখার জন্য আবিষ্কার করা হয়েছিল।
২. নবুয়ত ও রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর ঐতিহাসিক সত্যতাকে অস্বীকার: ইসলামি আকিদার মূল ভিত্তি হলো রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর নবুয়ত ও আল্লাহর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ (ওহী)। কিন্তু হারারির দর্শন অনুযায়ী, যেকোনো ধর্মীয় ঐতিহাসিক ঘটনাই মানুষের কল্পনাপ্রসূত গল্প। সে পরোক্ষভাবে নবুয়তের ধারণাকেই অস্বীকার করে তরুণ প্রজন্মের মনে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ও ইসলামের সত্যতা নিয়ে চরম সংশয় ও নাস্তিক্যবাদের বীজ বুনে দেয়।
৩. মানুষকে পশুর বংশধর দাবি করা: হারারি সম্পূর্ণভাবে ডারউইনের বিবর্তনবাদকে পরম সত্য ধরে নিয়ে দাবি করে যে, মানুষের কোনো ‘রূহ’ বা আত্মা নেই এবং মানুষ অন্য আটপৌরে পশুর মতোই কেবল একটি বিবর্তিত রূপ। এটি কুরআনের ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের মর্যাদাকে সরাসরি অস্বীকার করে।
৪. ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে কর্পোরেশনের তুলনা: হারারি পবিত্র কুরআন বা ধর্মগ্রন্থগুলোকে বড় বড় কোম্পানি (যেমন গুগল বা অ্যাপল)-এর আইনি দলিলের সঙ্গে তুলনা করেছে। তার মতে, মানুষ যেমন আইনকানুন বানিয়ে কোম্পানি চালায়, ঠিক তেমনি গল্প বানিয়ে ধর্মগ্রন্থ ও সৃষ্টিকর্তার ধারণা তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নেন। এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের চারজন হাফেজ কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেন।
তদের মধ্যে হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা সম্পূর্ণ হিফজ ও তাজবিদ বিভাগে তৃতীয় অর্জন করেন। হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা হিফজ বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন, এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।
তথ্যসূত্র:
১। বিশ্বজয়ী হাফেজদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
– https://tinyurl.com/yc528rjb
খবর বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা শাখার এক দায়িত্বশীল বৈঠক ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের (১৩) লা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : বান্দরবানের দূর্গম পাহাড়ে প্রযুক্তিনির্ভর সুপেয় পানিতে স্বস্তি ফিরেছে লক্ষাধিক মানুষের। এ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে পণ্ড হয়েছে দুই যুবতীর বিয়ের আয়োজন। সমকামী দুই যুবতীর ব...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : দেশের ব্যাংকিং খাতে সরকার পতনের পরে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে চট্টগ্রামে, বিশেষ করে পটিয়ায়। কারণ ছা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে কমছে না ডেঙ্গুর প্রকোপ। চলতি বছরের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত রো...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited