শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৮:১০ পিএম, ২০২১-০৬-০৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
উখিয়া উপজেলার সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বড়ুয়া এবং স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি আবু তাহেরসহ আরও ৩ জনের বিরুদ্ধে উখিয়ার ১নং জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরীর স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাথে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওয়ারিশদের নিয়ে খেলারমাঠের দক্ষিণ পূর্বাংশের ২০ শতক জমির বিরোধ চলে আসছিলো দীর্ঘদিন ধরে। সেটি নিয়ে স্থানীয় এলাকার জনৈক মৃত আব্দুল জলিলের ওয়ারিশগণ চলতি বছর বিগত মাসের ২৫ মে বিজ্ঞ উখিয়া সহকারী জজ আদালত কক্সবাজারে উপস্থিত হয়ে অপর ৪৬৯/২০২১ ইংরেজি মামলা দায়ের করেন । সেই বিরোধীয় জমিতে স্কুলের কমিটি জোরপূর্বক ভৌতকাঠামো নির্মাণ করতে চাইলে উক্ত মামলায় বাদীপক্ষের লোকজন নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত কক্সবাজারের বিচারক সায়মা আফরিন হিমা বিগত মাসের ২৭ মে উখিয়ার ইউএনও—এসিল্যান্ড এবং স্কুলের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক ও এডহক কমিটির সদস্য ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং ইঞ্জিনিয়ারসহ মোট ৯ জনকে ১০দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য একটি আদেশ দেন।
সেই আদেশের দশম দিনে গত ৬ জুন রবিবার স্কুল কমিটির সভাপতি আবু তাহের, শিক্ষক প্রতিনিধি মকবুল হোসেন সরকার, সদস্য আব্দুল মোস্তাফা ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মিলন কুমার বড়–য়া তাদের আইনজীবির মাধ্যমে লিখিত জবাব প্রদান করেন। জবাবের কপি বাদী পক্ষ তাদের আইনজীবী মারফতে সংগ্রহ করেন।
সেখানে দেখা যায়, জনৈক আব্দুল জলিলের ২ পুত্র এবং ২ কন্যা সন্তান জালিয়াপালং ইউনিয়নে বর্তমানে জীবিত আছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত একটি ওয়ারিশ সনদের সন্ধান মিলে। সেটা নিয়ে সেই আব্দুল জলিলের মূল ওয়ারিশগণ বাস্তব ঘটনা অনুসন্ধান করলে স্কুলের কমিটি ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ স্বাক্ষর জালিয়াতির নানা অভিযোগ উঠে।
মামলার বাদী পক্ষের শামশুল আলম অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ারিশ সনদের বিষয়ে আমাদের সন্দেহ হলে সাথে সাথে চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের
সাথে যোগাযোগ করে সেটি তাঁর কাছে পাঠায়। তখন তিনি আমাদের বলেন, এই ধরণের কোন ওয়ারিশ সনদ আমি দেয়নি এবং যেই স্বাক্ষর আমার স্থালে দেয়া হয়েছে সেটা আমার নহে।
যে চারজন—ইসহাক আহমদ, গুরা মিয়া, জহুরা খাতুন, রহিমা খাতুনের নামীয় ৭—৩—২০২১ ইংরেজি তারিখের যে ওয়ারিশ আব্দুল জলিলের বলে তারা আমার নাম দিয়ে ভূয়া ওয়ারিশ সনদ লিখেছে তাদের আমি জীবনেও দেখিনি এবং কারো থেকে শুনিনি যে তারা দুনিয়াতে এসেছে এবং জীবিত আছে। এটা বড় একটা ষড়যন্ত্র আমার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি আব্দুল জলিলের নামে সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে এ রকম কোন ওয়ারিশ সনদ দেয়নি। আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভূয়া কাগজ করায় আমি সহজে ছাড় দিব না। পরিষদের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এ বিষয়ে পত্রিকায় বিবৃতিও দেওয়া হবে। আমি জালিয়াতির মূল হোতা বাবুল আবছারকে খুঁজছি।
অপরদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বড়ুয়া এবং আবু তাহেরসহ সকলে মিলে স্কুলের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আজিজিয়া স্কুল থেকে সোনারপাড়া স্কুলের নাম করণ সভার একটি সভায় ২০—০৮—১৯৮৫ সালের ভূয়া একটি রেজুলেশন রাতারাতি বানিয়ে ৪/৫ জন মৃত ব্যক্তিদের স্বাক্ষরও বানিয়ে আরো একটি কাগজ জমা দেন বলেও মামলার বাদী পক্ষের লোকজন অভিযোগ করেছেন।
তারা আরও বলেন, সোনারপাড়া জুনিয়র স্কুলের সরকারী গেজেট প্রকাশিত হয় ০৩—০৭—১৯৭৪ ইংরেজিতে। আর তার নাম পরিবর্তন করেছে ২০—৮—১৯৮৫ সালে এসে। তেমনি একটি রেজুলেশনের কাগজে দেখা যায়, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মন্নান, সফিউল আলম মাস্টার, জাকের হোসন মাস্টার, এজাহার নবী মাস্টার, লোকমান হাকিম, শফিউল করিম, নুর মোহাম্মদ চৌধুরীর স্বাক্ষর সম্বলিত যে রেজুলেশন আদালতে জমা দিয়েছে সেখানে উল্লেখিত লোকদের ২—৩ জন ছাড়া সকলে মৃত বলে বাদী পক্ষের লোকজন জানান। এদের স্বাক্ষর তারা সম্পূর্ণ জালিয়াতি করে আদালতে জমা দিয়েছে।
চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়ে মুঠোফোনে সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বড়়ুয়া বলেন, আপনি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন। আর এটি জালিয়াতি হলে বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।
স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি আবু তাহের বলেন, চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জালিয়াতির করার কোন সুযোগ নেই। ওই স্বাক্ষর চেয়ারম্যানের।
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোরে সার্বক্ষণিক কোনো ডাক্তার না থাকায় রোগী ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইসলামী হিজরি সনের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র জীবনের বহু ঐতিহাসিক ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : অন্যদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরাও মিয়ানমারে ফেরার আগে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : মৎস্য চাষ ও উৎপাদনে অসামান্য অবদান রাখায় ৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। 'রূপালি মৎস্যে ...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : টেকনাফ সদরের ডেইল পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া টেকনাফ মাদ্রাসার ছাত্র, হাফেজ আর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited