শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০২:৩৮ এএম, ২০২১-০৬-০৭
নিউজ ডেস্ক
জেলা-উপজেলা লকডাউন ঘোষিত হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে এমনিতেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ১৩ জুন থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
কিন্তু করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত লকডাউনের মেয়াদ ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১৩ জুন খুলছে না।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ইতোমধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। রাজধানীর দুটি আলাদা প্রোগ্রামে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে আমরা ঝুঁকি নেব না। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য করোনাভাইরাস সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে নামা জরুরি।
কিন্তু রোববার সরকার চলমান লকডাউন আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে পুনরায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রোববার (০৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অন্যতম শর্ত ছিল করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে আসা। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে অবনতি হচ্ছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, করোনাকালে এক বছরেরও অধিক সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় একদিকে ছাত্রীরা দেদারছে বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছে, অপরদিকে শিক্ষার্থীরা তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের শ্রেণীকক্ষে পাঠদান না থাকায় তাদেরও বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞতার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এ অবস্থায় অনলাইন ক্লাসে শতভাগ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকসহ সচেতনমহল।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবং পারিবারিক ও সামাজিকভাবে নানা রকম দুশ্চিন্তায় অনেক শিক্ষার্থী মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে শিক্ষার্থীরা মাদকে জড়িয়ে পড়ছেন—এটা অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি। যেমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা কাজ করে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় তারা কোথায় যাবেন, কোথায় গিয়ে সময় কাটাবেন—এ রকম একটা অবস্থার মধ্যে তারা আছেন। আর শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে চ্যানেল হিসেবে এই মাদক ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে কয়েকটি চক্র। যাদের অনেক টাকা-পয়সা আছে এবং যেসব অভিভাবক টাকা-পয়সার হিসাব করেন না, তাদের সন্তানই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় আসার পর সরকারের ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে।
উল্লেখ্য ২৬ মে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ১৩ জুন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার ওপর। সেসময় মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বন্ধ রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে চাই।
মাঝে করোনার পরিস্থিতি ভালো হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। ঈদে বাড়ি যাওয়ায় বিভিন্ন জেলায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। এসব বিষয়ও আমাদের মাথায় রাখতে হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক: : মৎস্য চাষ ও উৎপাদনে অসামান্য অবদান রাখায় ৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। 'রূপালি মৎস্যে ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ভূমধ্যসাগর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ২৯ বাংলাদেশি মিসরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ত...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : শনিবার দুপুরে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শনিবা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : হবিগঞ্জে ১৭১টি শিল্পকারখানায় গ্যাস সররবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে থেমে গেছে উৎপাদন। ব...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জান...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : শরীয়তপুরের সখিপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গর্ভবতী এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এক ছাত্রদল ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited