শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৭:৩২ পিএম, ২০২৬-০৮-৩০
দুবাই থেকে কারামুক্তির পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি ও বিতর্কিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়ায় পাড়ি জমিয়েছে। গত ১৭ আগস্ট সে দুবাই থেকে সেখানে যায়। ওই দেশের পাসপোর্ট এবং দেশটিতে যৌথ বিনিয়োগ রয়েছে তার। সেন্ট লুসিয়ার গ্রোস আইসলেট এলাকায় তার ফ্ল্যাটও রয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের দুর্নীতিবাজ আইজিপি বেনজীর গত ২৭ জুলাই দুবাইয়ের আদালত থেকে জামিন পায় এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩০ জুলাই কারামুক্ত হয়। এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথি ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেয়। তার জামিনের জন্য ইউরোপের একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা দুবাইয়ে বিভিন্ন চ্যানেলে জোর লবিং করেছে বলে জানা গেছে। দুবাইয়ের আদালত থেকে তার জামিন ও কারামুক্তির খবরে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হইচই পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুবাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়; তবে কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
গণমাধ্যম সূত্র জানায়, জামিন পাওয়ার পরই দুবাই থেকে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ দেশে যাওয়ার চেষ্টা করে বেনজীর। স্পেনসহ একাধিক দেশে যাওয়ার কথা চিন্তা করলেও বেশি সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপদ বিবেচনা করে শেষে সে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়াকেই বেছে নিয়েছে।
বেনজীর ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী সম্প্রতি বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া এক ডিআইজি সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। উক্ত ডিআইজি জানায়, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বেনজীর তৃতীয় দেশে যাওয়ার চেষ্টায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সে সেন্ট লুসিয়ায় গেছে বলে ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত শুরু হলে ২০২৪ সালের মে মাসে চুপিসারে দেশ ছাড়ে বেনজীর। বিদেশে যাওয়ার পর একাধিক দেশে তার অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। পরে অনেকটা নাটকীয়ভাবে দুবাই পুলিশের হাতে বিতর্কিত সাবেক আইজিপি বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবর বাংলাদেশ পুলিশের কাছে আসে গত ১২ জুন। দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) পুলিশ ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি শাখাকে বিষয়টি জানিয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে তার গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়। বাংলাদেশের সঙ্গে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও আরব আমিরাত থেকে বেনজীরকে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা প্রকাশ করেছিল। তাকে দ্রুত ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়। কূটনীতিক চ্যানেলেও যোগাযোগ করে সরকার। দুবাই পুলিশ বেনজীরের নথিপত্র চেয়ে বাংলাদেশ পুলিশকে অনুরোধ করে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৪৪ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট পাঠায় দুবাই পুলিশের কাছে।
বাংলাদেশ সরকার আশা করেছিল বেনজীরকে ফেরত দেবে দুবাই। কিন্তু তাকে ফেরত দেওয়ার বদলে, ২৭ জুলাই আরব আমিরাতের একটি আদালত উল্টো তার জামিন মঞ্জুর করে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।
জানা গেছে, বেনজীরের সাথে ৬ দেশের পাসপোর্ট রয়েছে। আইজিপি থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে সে তুরস্ক, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সেন্ট লুসিয়ার পাসপোর্ট নেয়। সরকারি চাকরিতে থেকেও বেসরকারি চাকরিজীবী দেখিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরির ঘটনায় বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। ৬ দেশের পাসপোর্ট থাকলেও সে দুবাইয়ে বড় ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। দুবাইয়ে তার বাড়ি কেনাবেচা, রেস্টুরেন্ট ও গাড়ির ব্যবসা রয়েছে। সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বন্ধু শহিদুল ইসলামের সঙ্গে সে যৌথভাবে ব্যবসা গড়ে তুলেছে।
তথ্যসূত্র:
১। ব্যাগে ছয় দেশের পাসপোর্ট, বেনজীর এখন সেন্ট লুসিয়ায়
– https://tinyurl.com/3wn9mj4z
অনলাইন ডেস্ক: : গত বছর অক্টোবর থেকে কার্যকর থাকা যুদ্ধবিরতি চুক্তি ক্রমাগত লঙ্ঘন করে যাচ্ছে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি স...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইরানের লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ড্রোন হামলা চালিয়েছে ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : ১. অবতরনিকা : সময়ের মহাপ্রবাহে কত নাম উচ্চারিত হয়, কত নামই বা কালের নীরবতায় হারিয়ে যায়। অথচ কিছ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশের নাদ আলী জেলায় ৮০ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে ৮ বছরের এক শিশুর জোরপূর্বক ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ এবং প্রলয়ংকারী আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited