শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৮:১৪ পিএম, ২০২৬-০৮-৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় ভয়াবহ আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র ধরা পড়েছে। পদত্যাগ করার পরও দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে অবৈধভাবে সরকারি বেতন-ভাতা (এমপিও) উত্তোলন করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ। অন্যদিকে এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি ও বেতনের টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালিত এক অডিট প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আমির হোসাইন পদত্যাগ করার পর পুনরায় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই পদে আর চাকরি পাননি। ফলে নিয়মানুযায়ী তিনি সরকারি বেতন-ভাতা পাওয়ার যোগ্য ছিলেন না। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে অবৈধভাবে মোট ৭৮ লাখ ১২ হাজার ৭৫ টাকা বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন। ডিআইএ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার কঠোর সুপারিশ করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. আমির হোসাইন বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সরবরাহ না করায় সম্পূর্ণ তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তাঁর এই অননুমোদিত অনুপস্থিতিকালে উত্তোলন করা আরও ১৭ লাখ ২৭ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে গভর্নিং বডির মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে স্থগিত এবং এমপিও থেকে নাম কর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে।
একই মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা জান্নাত আরা বেগমের বিরুদ্ধেও উঠেছে গুরুতর দুর্নীতির প্রমাণ। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা নিয়মিত বেতন, পরীক্ষার ফিসহ অন্যান্য অর্থ মাদরাসার মূল তহবিলে জমা না দিয়ে নিজেই আত্মসাত করেছেন। এই বিষয়ে ডিআইএ-র তদন্ত দল তাঁকে লিখিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে তিনি প্রশ্নপত্র গ্রহণ করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য ও আর্থিক দুর্নীতির কারণে ওই নারী শিক্ষকেরও বেতন-ভাতা স্থগিত করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। অধ্যক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগসূত্রায় তিনি এ কাজ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার দুই শীর্ষ শিক্ষকের এমন নজিরবিহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি অর্থ আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
---------------------------------------------------------
তথ্যসূত্র:
--https://shorturl.at/3Aurt
আমাদের ডেস্ক : : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজারের পেকুয়ায় র্যালী প...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সাংবা...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : নিজস্ব প্রতিবেদক: পর্যটন নগরী কক্সবাজারে চলচ্চিত্রচর্চা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলনে যুক্ত ...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : আয়াছ রনি: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বড়ডেইল মৌজায় ১ দশমিক ৬৩০২ একর জমি নিয়...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী বলেছেন, মানবতার মহান শিক্ষক ও র...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited