শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:৫৬ পিএম, ২০২৫-০৩-০৫
বিলাসীপণ্যের তালিকায় স্থান হওয়ায় আপেলের দাম বেড়ে যায় দুই থেকে তিনগুণ। এতে আপেল কেনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন অনেক ক্রেতা। ফলে চাহিদা কমতে থাকায় আমদানিও কমিয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। ফলটিতে শুল্ক আরেক ধাপ বাড়ায় রমজানের আগমুহূর্তে দাম আরও বেড়ে গেছে।
আমদানির তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২০২৫) প্রথম মাসে আপেল আমদানি আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় কিছুটা বাড়তি থাকলেও বাকি সাত মাসে আমদানি কমেছে। গত অর্থবছরের আট মাসে ৮৭ হাজার ৭৯৭ টন আমদানির বিপরীতে চলতি অর্থবছরের সাত মাস ১৭ দিনে ৬৯ হাজার ৪১৫ টন আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে জুলাইয়ে ২ হাজার ৪৫০ এবং ডিসেম্বরে ১৮৪ টন বাড়তি আমদানি হলেও আগস্টে ২ হাজার ৫৪৮, সেপ্টেম্বরে ৪ হাজার ৩৯৩, অক্টোবরে ৬ হাজার ১৪৬, নভেম্বরে ৩৫৫, জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮৬০ টন কম আমদানি হয়েছে। ফেব্রুয়ারির ১৭ দিনে ৫ হাজার ৩৫৮ টন আমদানি হয়েছে। যা গত অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ১১ হাজার ৭৮২ টন।
নগরের বিভিন্ন ফলের দোকানে দেখা যায়, মান ও প্রকারভেদে লাল আপেল ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকা, সবুজ আপেল ৩৫০ থেকে ৩৭০ এবং নাশপাতি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত রমজানের আগে মান ও প্রকারভেদে সব ধরনের আপেল বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৯০ টাকায়।
কর্নেলহাট সিটি করপোরেশন বাজারের ব্যবসায়ী মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আপেল এখন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেশি থাকায় ক্রেতার সংখ্যাও কম। ফলে আমরাও অতিরিক্ত আপেল তুলছি না। দাম পুরো রমজানেও এরকম থাকবে বলে মনে হচ্ছে। তবে দাম প্রায় কাছাকাছি হলেও মাল্টা ও কমলার চাহিদা একটু বেশি।’
বাবর নামে একজন ক্রেতা বলেন, ‘রমজানে ফল কেনার একটা ব্যাপার থাকে। তবে এটা নিয়ে তো কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। তাই দামে না পোষালে কীভাবে কিনবো! আপেলের পরিবর্তে পেয়ারা ও বরই কেনার চিন্তা করছি।’
চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলম বলেন, ‘শুধু আপেল না, আমদানি করা প্রায় সব ফলের দাম বাড়ার কারণ মূলত দুটি। একটি হলো উচ্চশুল্ক, অন্যটি ডলারের বাড়তি দাম। ২০২১ সাল পর্যন্ত ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় আপেল বিক্রি হতো। যখন থেকে আপেলকে বিলাসীপণ্য হিসেবে শুল্ক ৩২-৩৩ শতাংশ থেকে ১১৩ থেকে ১৩৬ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তখন দাম স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। সরকার সর্বশেষ দেড় মাস আগে শুল্কহার বাড়িয়ে ১৩৬ শতাংশ করায় দাম অনেকটা বেড়েছে। চাহিদা কম থাকার পরও সম্প্রতি আমরা রমজানকে টার্গেট করে পর্যাপ্ত পরিমাণ আপেল এনেছি। তাই সরবরাহ নিয়ে সমস্যা হবে না।’
দাম কমার কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে সংগঠনটির সভাপতি মো. আলী হোসেন বলেন, ‘দাম বাড়তি আছে। তবে এটি নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে আমাদের কিছুদিন আগে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে এনবিআর আমাদের শুল্ক কমিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু কতটুকু কমাবে; সেটি না জানার আগ পর্যন্ত দাম নিয়ে কিছু বলার সুযোগ নেই। আমরা আশা করছি, শুল্ক কমানোর নির্দেশনা পেলে জাহাজে থাকা আপেলের দাম কিছুটা কমে আসবে।’
টেকনাফ প্রতিনিধি : : সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বোট থেকে ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী হাফেজ মো. আবদুল্লাহ (৩৫–৩৬) নিখোঁজ হয়েছেন। গত সোমবার (২৮ সেপ্à...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরার পথে ‘দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম’-এর সহ-সম্পাদক ও স...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা-ঘটিভাঙ্গা এলাকায় জ্বালানি তেল বিক্রà...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা এমদà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited