শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ১০:২৬ পিএম, ২০২৬-০৯-০৩
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে অথবা তারা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, সম্প্রতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে এসব প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা, কতজন উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে—সে তথ্য উল্লেখ না থাকায় বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাচ্ছিল না।
জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয় বলে জানান তিনি।
পুলিশের যাচাই অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন।
অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোর নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩টি। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছে ১ হাজার ৯৭০ জন।
সব বয়স মিলিয়ে সাত মাসে নিখোঁজ সংক্রান্ত ১৫ হাজার ৭১৭টি জিডি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ শিশুই উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুদের নিখোঁজ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা। অনেক শিশু পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারায় কিংবা একা বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণেও নিখোঁজ হয়।
১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে নিখোঁজ হওয়ার কারণ হিসেবে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ার পর লজ্জার কারণে পালিয়ে থাকার ঘটনাও রয়েছে।
পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, পুলিশি সেবা সহজ করার অংশ হিসেবে বর্তমানে অনলাইন জিডি ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এর ফলে সাধারণ ডায়েরি করার প্রবণতা ও সংখ্যাও বেড়েছে।
পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি হয়েছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৪১৪টিতে। তবে ২০২৫ সালে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ৫৫০টিতে পৌঁছায়।
পুলিশ সদরদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে নিখোঁজ হিসেবে জিডি হওয়া শিশুদের বড় অংশকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো ২ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ থাকায় তাদের সন্ধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার প্রয়োজন রয়েছে।
--------------------------------------------------------------------------------
তথ্যসূত্র:
--https://shorturl.at/RmXwF
অনলাইন ডেস্ক: : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ভোলা বাদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্য...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর ও জেলা তা'লিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাওলা...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজারের পেকুয়ায় র্যালী প...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সাংবা...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited