শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক: | ০৭:৩৮ পিএম, ২০২৬-০৪-০৬
আয়াছ রনি।।
কক্সবাজারের মহেশখালী ভূমি অফিসের নাজির ইন্দ্রজিৎ-এর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন ও দালাল সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সেবাপ্রার্থীদের দাবি, নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা না দিলে ভূমি সংক্রান্ত কোনো কাজই সম্পন্ন হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, মহেশখালী ভূমি অফিসে মিউটেশন (নামজারি) ও খতিয়ান সংক্রান্ত কাজ করতে গেলে নাজির ইন্দ্রজিৎ-এর নিজস্ব দালালদের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বাধ্য করা হয়। নির্দিষ্ট দালাল ছাড়া মিস কেস ও খতিয়ানের ডিসিআর কাটা হয় না, এমনকি তার টেবিল থেকে অন্য শাখায় নামজারি ফাইলও পাঠানো হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি নামজারি ফাইল অনুমোদনের জন্য ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। এছাড়া নাজিরের টেবিল থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর টেবিলে ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রেও ‘অফিস খরচ’ দেখিয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান, তাহলে তার ফাইল মাসের পর মাস নাজির ইন্দ্রজিৎ-এর টেবিলে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, কোনো সাধারণ মানুষ যদি দালাল ছাড়া সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে নিজের কাজ নিজে করতে চান, তাহলে তার কাজ সম্পন্ন হয় না। বরং ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয় এবং নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়। একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে অনেকেই দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাপ্রার্থী বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ, নিজের কাজ নিজে করতে চাই। কিন্তু এখানে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। টাকা দিলে কাজ দ্রুত হয়, আর টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল পড়ে থাকে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, মহেশখালী ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী দালাল সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নাজির ইন্দ্রজিৎ। এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। তারা দ্রুত নাজির ইন্দ্রজিৎ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান - সহকারী কমিশনার ভূমি তাকে কাজে ব্যস্ত রাখে। যার কারণে খুব বেশি নামজারি ফাইলের কাজ হাতে নিতে পারে না। কম নামজারি ফাইলের কাজ নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সত্য নয়।
টেকনাফ প্রতিনিধি : : সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বোট থেকে ৭৬ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেà...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের উদ্যোগে বিভিন্ন মাদক মামলার ৯৯ কোটি ৩১ লà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের টেকনাফ পাহাড়ি অঞ্চল অপহরণকারী ও ডাকাত দলের অভয়ারণ্য পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আ...বিস্তারিত
ইমরান নূর: কোঅর্ডিনেটর : সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী হাফেজ মো. আবদুল্লাহ (৩৫–৩৬) নিখোঁজ হয়েছেন। গত সোমবার (২৮ সেপ্à...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রানওয়ে প্রস্তুত, আধুনিক টার্মিনালও প্রস্তুত। অবকাঠামোর বড় অংশের কাজ শেষ হলেও সামনে রয়েছে আরেক চ্à¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited