শিরোনাম
আয়াছ রনি | ০২:২৬ পিএম, ২০২৫-০৩-১১
টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোডস্থ নাফ মেরিন শিশু পার্কের সামনে ৪ হাজার ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল নিয়ে দুইজন মাদক কারবারি কে আটক করে কক্সবাজারের মাদকদ্রব্য অধিদফতরের একটি টিম। আটককৃত দুইজনের মধ্যে মাদকের মূল মালিক মাদক গডফাদার সৈয়দুল কে আড়াই লাখ টাকায় ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ কক্সবাজারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক তুন্ত মনি চাকমার বিরুদ্ধে।
সূত্র মতে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি-২০২৫ ইং তারিখে টেকনাফ মেরিন শিশু পার্কের সামনে জনৈক সৈয়দুল সহ দুইজনকে মটর সাইকেলসহ চার হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক করে মাদক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরে ইয়াবার প্রকৃত মালিক সৈয়দুল কে ২,৫০,০০০ টাকার বিনিময় ছেড়ে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ সৈয়দুলের মটর সাইকেলের পিছনে থাকা আজমল হাসান একজন শ্রমিক, সৈয়দুলের কাছে পাওনা টাকার জন্য গেলে আজমল কে সৈয়দুল মোটরসাইকেলের পিছনে করে মেরিন ড্রাইভ নিয়ে যায়। সৈয়দুলের মটর সাইকেল সহ তাদের দুই জনকে চার হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক করলেও আজমল হাসানের কাছ থেকে ২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে এ বিষয়ে উপপরিদর্শক তায়রীফুল ইসলাম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় ১টি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। মাদকের মূলহোতা সৈয়দুল কে আড়াই লক্ষ টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল সহ মামলায় না দিয়ে ছেড়ে দেন ডিএনসি তুন্ত মনি চাকমা।
১৮ ফেব্রুয়ারি পরিচালিত অভিযানের বিষয়ে তুন্ত মনি চাকমার কাছে জানতে চাইলে তিনি এই অভিযান পরিচালনা করে নাই বলে অস্বীকার করেন। অথচ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ সদর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপপরিদর্শক তুন্ত মনি চাকমা।
উক্ত অভিযানে থাকা মাদক অধিদপ্তরের সদস্য মনির জানান, অভিযানের বিষয়ে টেকনাফের সাংবাদিকেরা জানে। নিউজ করেন পত্রিকায়, কিছু হবে না আমাদের। আমরা প্রতিনিয়ত এরকম অভিযান করি। আমাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু করতে পারে নাই, ভবিষ্যতেও পারবে না।
এদিকে স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, আড়াই লাখ টাকায় ছাড়া পাওয়া সৈয়দুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মাদক ব্যবসার সুবাদে গড়েছেন বিশাল সম্পদ। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়া মাদককারবারি ব্যক্তি যদি টাকার বিনিময়ে ছাড়া পায় মাদকের নিয়ন্ত্রণ না হয়ে বরং মাদক বিস্তার হবে বলে জানান স্থানীয় সচেতন মহল। যার ফলে ডিএনসি অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে মাদকের আগ্রাসন বন্ধ করা যাবে না। নষ্ট হবে যুব সমাজ। এরকম মাদক কান্ডে জড়িত ঘোষখুর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকে কলঙ্কমুক্ত করার জোর দাবি জানান তারা।এই তুন্ত মনি চাকমার নেতৃত্বাধীন দল গত দুই দিন আগে আলোচিত ঘটনার এডি দিদারের মূল সহযোগী। আটকৃত ব্যক্তি কে দিয়ে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করে কক্সবাজারের একজন সাংবাদিক কে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার নেতৃত্ব দেন এ তুন্ত মনি চাকমা। এদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনিয়মের আরো প্রতিবেদন পরবর্তী পর্বে তুলে ধরা হবে।
বিশেষ প্রতিবেদক: : বিশেষ প্রতিবেদক : কক্সবাজার জেলা পরিষদের নিম্নমান সহকারী রেজাউল করিম অবশেষে দুর্নীতির মামলায় গ...বিস্তারিত
বিশেষ প্রতিবেদক: : বার্তা পরিবেশক : গত বৃহস্পতিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত "দৈনিক আম...বিস্তারিত
বিশেষ প্রতিবেদক: : আগামীকাল ২১ জুন শনিবার কক্সবাজারে বিশ্ব বাঙালী সম্মেলন - ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কক্সবাজার কলা...বিস্তারিত
আয়াছ রনি : রামুতে লাশের মূল্য ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে মিমাংসা, ঘটনায় জড়িত নেই এমন দুই জনকে আসামি করে থানায় এ...বিস্তারিত
বিশেষ প্রতিবেদক: : গত বছর প্রায় ১০০ একর প্যারাবন ধ্বংস করে, এই বছর চিংড়িঘের নির্মাণ করার জন্য এক্সকাভেটর নিয়ে এসেছে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মহেশখালী শাপলাপুরে বসতভিটার জায়গা অবৈধ দখলে নিতে যুবলীগ নেতা বিকাশ শর্মার নেতৃত্বে পরিকল্পিত সন...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited