শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৭:২৮ পিএম, ২০২৬-০৯-২২
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি ব্রিজে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া মরাগাঙ্গীতে নির্মাণাধীন ব্রিজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন। পরিদর্শনে তিনি রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের সত্যতা পান। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই দিনের কাজ রাতের আঁধারে করা হচ্ছিল। এতে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী গোপনে নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ শুরু করেন। একপর্যায়ে রাতে ব্রিজের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টি দেখতে পান তারা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, বাসাইল উপজেলাধীন বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস সড়কে ৯০ দশমিক ০৬ মিটার দৈর্ঘ্যের গার্ডার ব্রিজ পুনর্নির্মাণের কাজ পেয়েছে মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। পরে কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়। বর্তমানে ব্রিজটির ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি রয়েছে ২০ শতাংশ কাজ।
স্থানীয় বাসিন্দা শিহাব খানশূর গণমাধ্যমে বলেন, মাইজখাড়ার ভেতরে যে ব্রিজটি নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করা হচ্ছে। সরকার যে টাকা দিয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, ব্রিজের কাজে বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। এ ঘটনায় ঠিকাদারের সঙ্গে স্থানীয় কেউ জড়িত থাকতে পারেন বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার দাবি করেন শিহাব।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা আজিজ মিয়া বলেন, ব্রিজটির কাজ দিনে করার কথা থাকলেও তারা রাতে কাজ করছে। রাতে এলাকার ছেলেরা ব্রিজে গিয়ে বাঁশ দিয়ে ঢালাই দেওয়ার বিষয়টি দেখতে পায়। সেখানে শুধু কিছু বালি, সিমেন্ট ও বাঁশ দিয়ে ঢালাই দেওয়া হচ্ছিল বলে জানান তিনি।
বাসাইল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমে জানায়, ব্রিজের নির্মাণকাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এ কাজের দায়ভার উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর নেবে না। এটি জেলা প্রকৌশল দপ্তরের কাজ। বিষয়টি জেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানায়, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সরেজমিনে ব্রিজটি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র:
১। ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই
– https://tinyurl.com/3cbbddma
অনলাইন ডেস্ক: : পার্বত্য তিন জেলায় স্থানীয় উপজাতি’র তিন সন্ত্রাসী সংগঠন বছরে ৬১০ কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করà...বিস্তারিত
স্টাফ রিপোর্টার: : মনছুর আলম মুন্না : কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের আস্তানায় যৌথ অভিযান চালাতে গিয়ে গোলà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : আগামী ৭ নভেম্বর, ২০২৬ শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এদিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহিদ...বিস্তারিত
উখিয়া প্রতিনিধি : কনক বড়ুয়া : উখিয়ার মনখালী গ্রামে দীর্ঘদিনের এক ‘অদৃশ্য চোর’ অবশেষে হাতেনাতে ধরা পড়েছে। কোনà§...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : সামিরা আক্তার : দীর্ঘ নয় মাস পর পর্যটকের পদচারণায় আবারও মুখর হয়ে উঠেছে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ à¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুম শুরু হয়েছে অগ্নিনিরাপত্তার উদ্বেগ ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited