শিরোনাম
টেকনাফ প্রতিনিধি : | ০৭:০১ পিএম, ২০২৬-১১-০৪
মো: আরাফাত সানি :
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকের চালান ছিনতাই ও আত্মসাতের অভিযোগে পাহাড়ে তুলে নিয়ে 'বিচারের' নামে নির্যাতনে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে ও দুপুরে দুই দফায় মরদেহ উদ্ধার করে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী বন বিট অফিস সংলগ্ন ভিলেজার পাড়া পাহাড়ি এলাকা থেকে একটি এবং দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে একই ইউনিয়নের লেচুয়াপ্রাং পাহাড়ি জঙ্গল থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আমতলী এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মোক্তার কামাল (৪৮) এবং একই এলাকার কালু ফকিরের ছেলে আলী আকবর প্রকাশ আব্বুয়া (৩০)।
আহতরা হলেন- একই ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ইলিয়াস (৩৫) ও মৃত আমির হোছনের ছেলে আলী আহমদ (৪০)। তাদের প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ১০ কাট (এক লাখ পিস) ইয়াবার একটি চালান। আহত ইলিয়াসের দাবি, ৮ জন মিলে চালানটি চেকপোস্ট পার করে হোয়াইক্যংয়ের দৈংগ্যাকাটা পাহাড়ে অন্য একটি গ্রুপের কাছে হস্তান্তরের পথে ডাকাত দল ছিনিয়ে নেয়। পরে ৭ কাট (৭০ হাজার পিস) উদ্ধার হলেও ৩ কাট (৩০ হাজার পিস) এর হদিস মেলেনি। ওই ৩ কাট আত্মসাতের অভিযোগেই এই 'বিচার'।
ইলিয়াসের অভিযোগ, সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে হোয়াইক্যংয়ের তুলাতলী এলাকার মিজান নামে এক ব্যক্তি বিচারের কথা বলে তাদের চারজনকে হ্নীলার একটি গ্রুপের হাতে তুলে দেয়। পরে তাদের পাহাড়ে নিয়ে অস্ত্রের মুখে বেধড়ক মারধর করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, চালানটির মূল মালিক হ্নীলার এক প্রভাবশালী মাদক কারবারি।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, "ইয়াবা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা।"
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ইয়াবার চালান আত্মসাৎ ও পূর্ব বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টেকনাফের সীমান্তবর্তী পাহাড়গুলো এখন মাদক কারবারিদের 'বিচারালয়' হয়ে উঠেছে। চেকপোস্ট ম্যানেজ, চালান পারাপার ও ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে তাদের নিজস্ব সিন্ডিকেট রয়েছে। চালান খোয়া গেলেই বাহকদের পাহাড়ে তুলে নির্যাতন, জরিমানা আদায় ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, গডফাদাররা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে?
উখিয়া প্রতিনিধি : কনক বড়ুয়া : কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশ গত ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলা, গ্রেফতারি পরোয়à¦...বিস্তারিত
মহেশখালী প্রতিনিধি: : মোহাম্মদ মহি উদ্দিন : কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় তৈরি ১টি এলজি ও এক রাà...বিস্তারিত
উখিয়া প্রতিনিধি : কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের উভয় পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্র...বিস্তারিত
পেকুয়া প্রতিনিধি :: : নূর মোহাম্মদ : দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অবৈধ দখল ও অবহেলার কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে কক্সবাà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : মনছুর আলম মুন্না : স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়...বিস্তারিত
খবর বিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited