শিরোনাম
আমাদের ডেস্ক : | ০৭:১৯ পিএম, ২০২৬-১০-২৫
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পহরচাঁদা ইউনিয়নে মাতামুহুরী নদীর ওপর নবনির্মিত রেল সেতুর বিকল্প পথের নিরাপত্তা রেলিংয়ের লোহার পাইপ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেতুর বিকল্প পথ দিয়ে চলাচলকারী পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দ্রুত সংস্কার ও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা সেতুর বিকল্প পথের রেলিংয়ের লোহার পাইপ কেটে ও খুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর বিএমচর অংশের বিকল্প পথের রেলিংয়ের প্রায় ১৫০ ফুটের বেশি অংশের পাইপ নেই। এতে পথের ওই অংশটি অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতে চলাচলের সময় অসতর্কতাবশত কেউ নিচে পড়ে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর সেতু ও আশপাশের নির্জন এলাকায় বখাটেদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এলাকাটি মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতেও সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা দেখা গেছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তবে রেলিংয়ের পাইপ চুরির সঙ্গে মাদকসেবীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সেতু এলাকার বাসিন্দা ও গণমাধ্যমকর্মী রুবেল খান বলেন, “মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটার পর থেকে আমরা চরম আতঙ্কে আছি। রেলিংয়ের পাইপগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় রাতে এই পথ দিয়ে চলাচল করতে ভয় লাগে। একটু অসাবধান হলেই সরাসরি মাতামুহুরী নদীতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও এ বিষয়ে কক্স অনলাইন বার্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। এরপরও কার্যকর তদারকি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রেলিংয়ের পাইপ চুরির ঘটনায় সরকারের লক্ষাধিক টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিভক্ত বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল আহমদ সিকদার বলেন, “রেল সেতুটি আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পের অংশ। মঙ্গলবার রাতের চুরির বিষয়টি আমরা উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছি। স্থানীয়ভাবেও নজরদারি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। রেল সেতুর পাইপ চুরির মতো অপরাধ অত্যন্ত দুঃখজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, চুরি যাওয়া রেলিংয়ের পাইপ দ্রুত পুনঃস্থাপন, সেতুর বিকল্প পথের নিরাপত্তা জোরদার, নিয়মিত পুলিশি টহল এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ফয়সাল আলম সাগর, স্টাফ রিপোর্টার
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের উপকূল দিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় মানব পাচারকারী চক্র আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠার অভিযোগ পাà...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এখন যেন মাদকের হটস্পট। এই দুই উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের এমন কোনো à¦...বিস্তারিত
পেকুয়া প্রতিনিধি :: : নূর মোহাম্মদ, পেকুয়া: কক্সবাজারের পেকুয়ায় চার শতক বসতভিটার জায়গা জবরদখলকে কেন্দ্র করে সৌদি প্রবà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : কক্সবাজারের চকরিয়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫ টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন সন্ত্রাসী ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : টেকনাফে ১৬ এপিবিএন ও টেকনাফ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে অপহৃত চারজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : ভ্রমণের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো বিষাদে। বান্দরবানের থানচি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র তিন্দু মুখ এà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited