শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২:০২ পিএম, ২০২১-০৭-১৯
মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ :
কোরবানির ঈদ দুয়ারে কড়া নাড়ছে। জমে উঠেছে পশুর হাট। কিন্তু দাম চড়া থাকায় বেচা-বিক্রি জমছেনা।
মিয়ানমার থেকে করিডোর দিয়ে গরু না আসায় বিক্রেতারা চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন।
ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দামের বনিবনা না হওয়ায় ক্রেতারা দরদাম করে ফিরে যাচ্ছেন। কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বেপারী ও গৃহস্থরা গরু ছাড়ছেন না। আর বিক্রি না থাকায় হাটে অলস দাঁড়িয়ে থেকে তাদের মুখভার।
হাটে দুই-আড়াই মনের ছোট আকারের গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। মাঝারি আকারের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৯০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা। যা গতবছরের তুলনায় লাখ প্রতি ২০/৩০ হাজার অতিরিক্ত মূল্য হাঁকাচ্ছে।
রবিবার (১৮ জুলাই ) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার টেকনাফ ও হ্নীলায় সাপ্তাহিক পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্রের দেখা মিললো। তবে দেশি গরুর দিকেই নজর বেশি ক্রেতাদের। তাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশি জাতের মাঝারি গরু।
পশুর হাটেই আলাপ হয় উপজেলার একটি গ্রাম থেকে আসা গৃহস্থ মোঃ ইসমাইলের (৭০) সঙ্গে।
তিনি তার মাঝারি সাইজের গরুর দাম হাঁকিয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু ক্রেতারা দাম করছেন ৮০/৯০ হাজার টাকা।
তবে কম দামে গরু বিক্রি করতে রাজি নন তিনি।
জানতে চাইলে এ প্রতিবেদককে জানান, গরুর লালন-পালন খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। নির্ধারিত দাম না পেলে তিনি শেষ বাজার পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
জানা যায়, উপজেলার বাহির থেকে ও বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতারা এ হাটে পশু কিনতে ভিড় করছেন। অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে গরু মিলবে এমন ভরসা থেকেই মূলত ওইসব ক্রেতারা এ হাটে ছুটছেন। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় না ঘটায় উপজেলার এ গবাদি পশুর হাট থেকে বেজার মুখে ফিরে যাচ্ছেন তারাও।
উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের চান্দলী পারা গ্রামের জহির আহমদ নিজের ছোট আকারের ষাঁড়ের দাম প্রত্যাশা করছেন ৯০-৯৫হাজার টাকা। কিন্তু ক্রেতারা ৭০ থেকে ৮৫ হাজার টাকার দরদামের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাহিদামতো দাম না পেয়ে গরু নিয়ে বাড়ী ফিরে যান।
তিনি বলেন, হাটে গরু বা ক্রেতা কোনোটিরই অভাব নেই। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় বেশিরভাগ গৃহস্থই গরু বিক্রি করছেন না। দু’একদিনের মধ্যেই হাটের এ চিত্রের পরিবর্তন হবে বলে আশা তাদের।
হাটে গরু কিনতে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়।
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোরে সার্বক্ষণিক কোনো ডাক্তার না থাকায় রোগী ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইসলামী হিজরি সনের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র জীবনের বহু ঐতিহাসিক ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : অন্যদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরাও মিয়ানমারে ফেরার আগে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : মৎস্য চাষ ও উৎপাদনে অসামান্য অবদান রাখায় ৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। 'রূপালি মৎস্যে ...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : টেকনাফ সদরের ডেইল পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া টেকনাফ মাদ্রাসার ছাত্র, হাফেজ আর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited