শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:১৮ পিএম, ২০২১-০৫-২৬
গাজী মোহাম্মদ আবু তাহেরঃ
বাংলাদেশের এক মাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী উপজেলায় প্রাকৃতিক ঘূর্ণিঝড় "ইয়াস" এর প্রভাবে মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত ধলঘাট, মাতারবাড়ী,কুতুবজোমের সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা,মহেশখালী পৌরসভাসহ সড়ক,বেড়িবাঁধ,ঘরবাড়ি,চিংড়িঘেরসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি,২০টি গ্রামে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
জোয়ারের পানি স্বাভাবিক নিয়মের চেয়ে অতিরিক্ত উচ্চতায় মহেশখালীর বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে। গতকাল গভীর রাত থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ধলঘাটা, কুতুবজোমের সোনাদিয়া ঘটিভাঙ্গা এলাকায় স্থানীয় সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় গ্রহন করে।
২৬শে মে সকালের জোয়ারে উপজেলার যে সকল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করে জনবসতি প্লাবিত হয়।
সে সকল এলাকায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন টেক অফিসারগণ এলাকার পরিদর্শন করেন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানা যায়।
উপজেলার যে সকল এলাকা প্লাবিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে ধলঘাটা ইউনিয়নের সরইতলা মাতারবাড়ীর সাইট পাড়া, জালিয়া পাড়া ও রাজঘাট এলাকা,পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড চরপাড়া এলাকা,০৮ নং ওয়ার্ড পশ্চিম সিকদার পাড়ার পূর্ব,দক্ষিণ অংশ, কুতুবজোমের ঘটিভাঙ্গা,সোনাদিয়া,ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের তেলিপাড়া (মোহাম্মদপুর)
সহ ২০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল।
আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে সাগরে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেড়েছে।
ফলে অতিরিক্ত জোয়ারের উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
ধলঘাট, মাতারবাড়ী, হোয়ানক, কালারমারছড়া, বড় মহেশখালী ও কুতুবজোমের বিভিন্ন এলাকায় চিংড়ী ঘের, লবণ মাঠের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
অপরদিকে শাপলাপুর, কালারমারছড়া, হোয়ানক, বড় মহেশখালী, ছোট মহেশখালীতে ইয়াসের প্রবল বাতাসের কারণে পানের বরজ নষ্ট হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন,মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহফুজুর রহমান, মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া,সহকারী পুলিশ সুপার জাহেদুল ইসলাম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল হাই।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান জানান-ইয়াসের সম্ভাব্য ক্ষতি ও দুর্যোগ মোকাবিলার সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া ও পানি প্রবেশে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মানুষের জন্য শুকনো খাবার ও পানি মজুতের ব্যবস্থা করেছি।
মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন ঘুর্ণিঝড় "ইয়াস" মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
যে সমস্ত এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ ও প্লাবিত হয়েছে তাদের তালিকা তৈরি করার জন্য স্থানীয় পৌর মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দেওয়া হলেও পরবর্তীতে চেয়ারম্যানদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোরে সার্বক্ষণিক কোনো ডাক্তার না থাকায় রোগী ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ইসলামী হিজরি সনের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র জীবনের বহু ঐতিহাসিক ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : অন্যদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীরাও মিয়ানমারে ফেরার আগে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : মৎস্য চাষ ও উৎপাদনে অসামান্য অবদান রাখায় ৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। 'রূপালি মৎস্যে ...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : টেকনাফ সদরের ডেইল পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া টেকনাফ মাদ্রাসার ছাত্র, হাফেজ আর...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited