শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩:৪৪ পিএম, ২০২৫-০৩-০৫
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার একটি মাদক সম্রাটের সন্ধান মিলেছে। নাম ফজলুল কাদের, পিতা -ওয়াজ উদ্দিন, মহেশখালী ঘোনারপাড়া ৪ নং ওয়ার্ড শামলাপুরের স্থায়ী হলেও বসবাস করেন চকরিয়া এবং কক্সবাজারে। ব্যবসা করেন নিয়মিত ইয়াবার। রয়েছে কোটি কোটি টাকার উপরে। যে ফজলুল কাদেরের একসময় নুন আনতে পান্তা ফুরাত সে ফজলুল কাদের এখন ইয়াবার ছোঁয়ায় কোটিপতি। চলাফেরা করেন বিলাসবহুল। রয়েছে একাধিক কার এবং ভিআইপি মোটরসাইকেল। পাশাপাশি রয়েছে একাধিক মাদকের মামলা। প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে নিয়মিত মাদক ব্যবসা করে বেপরোয়া তান্ডব চালান এই ইয়াবার ভান্ডার ফজলুল কাদের।
টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোন ও জেলার বিভিন্ন স্থান হয়ে মাদকগুলো সাপ্লাই দেন ফজলুল কাদেরের মাদক সিন্ডিকেটরা। নিয়মিত দশ থেক বিশজন মাদক বহনকারী রয়েছে। তারা ঢাকা চট্টগ্রামের বাসে করে পাকস্থলীর ভিতরে করে ইয়াবা পাচার করার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সাথে নারীদের যৌনাঙ্গ ভিতরে করেও ইয়াবা পাচার কারান এই ফজলুল কাদের।
ফজলুল কাদেরের ইয়াবা ব্যবসার বেশকয়েকটি ডকুমেন্ট হাতে আসছে প্রতিবেকের কাছে। যার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মেসেজে দেখা যায় যে ইয়াবা লেনদেনের তথ্যাবলী। এসব তথ্যতে দেখা যায় ইয়াবার ছবি দিয়ে সেম্পল দিয়ে দরদাম করতে। ওখানকার কিছু তথ্যে উঠে এসেছে ফজলুল কাদের একজন আপাদমস্তক মাদকের শীর্ষ ব্যবসায়ী।
সম্পম্পৃতি তার মাদক ব্যবসার বিষয়ে ইতিমধ্যে লোমহর্ষক তথ্য উঠে এসেছে যে, ভয়ংকর এই মাদক নামের ইয়াবা ব্যবসা করে নারী থেকে শুরু করে এমন কোন কেলেঙ্কারী নাই তিনি করেননা।
নানা কৌশলে ছদ্মবেশে ইয়াবা ব্যবসা করলেও এই পর্যন্ত কোন গণমাধ্যমের কর্মীরা তার তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি। তবে সম্পৃতি একটি নাটকীয় মামলার সুত্র খুঁজতে গিয়ে একেরপর এক তথ্য বেরিয়ে আসছে এই ফজলুল কাদেরর বিরুদ্ধে। এইবিষয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, ফজলুল কাদেরের নিজ বাড়ি মহেশখালী হলেও থাকেন চকরিয়ায়। তার দৃশ্যমান কোন ব্যবসা না থাকলেও চলাফেরা করেন ধনকুবের মতো। ভিআইপি গাড়ী আর নারী নিয়ে জলসা করেন এই মাদক সম্রাট ফজলুল কাদের।
এদিকে চকরিয়া উপজেলার দুই ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে। তবে কেন বা কী কারণে মামলা করা হয়েছে তথ্য খুজতে খুজতে বের হয়ে পড়েন ইয়াবা ব্যবসার তথ্য। গত বেশকিছুদিন আগে কক্সবাজার কলাতলীতে একটু মোটরসাইকেলে করে ইয়াবা আনছিল ফজলুল কাদের। তবে এরমধ্যে প্রশাসনের কাছে খবর আসে যে মাদক বহনকারী একটি মোটরসাইকেল নিয়ে একটি লোক মেরিন ড্রাইভ হয়ে যাচ্ছিল চকোরিয়ার উদ্দেশ্যে। এসময় প্রশাসনের নজরদারি বুঝতে পেরে গাড়ীটি কৌশলে ফেলে ইয়াবাগুলো নিয়ে অন্য জায়গায় সরে যায় ফজলুল কাদের। প্রশাসনের একটি সিভিল টিম অভিযানে ব্যর্ত হয়েছে । প্রশাসন চলে যাওয়ার সাথে সাথে কোন একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়। গাড়ীটি নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় লঙ্কাকাণ্ড। এই গাড়ী এবং নিজেকে অপহরণের নাটক সাজিয়ে একটি মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে পারভেজ হোসেন প্রকাশ বাবু ও মোস্তফা নামের দুই ব্যবসায়ীকে। তবে তারা দুজনেই ফজলুল কাদেরের ইয়াবা ব্যবসা সম্পর্কে জানত। তার ইয়াবা সংক্রান্ত বিষয়গুলো যেন কাউকে না বলে সেজন্য মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখার প্রচেষ্টা। তবে এসব বিষয় যখন বিভিন্ন মানুষকে প্রচার করছিল তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ এবং বকাটে তকমা দিয়ে গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেন বাবু এবং মোস্তফা।
ফজলুল কাদেরের মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করতে তার মুঠোফোনে কল করে বিস্তারিত জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, চকরিয়া এবং মহেশখালীর অধিকাংশ সাংবাদিক তার আত্মীয়- স্বজন। যার কারণে নিউজ করতে একটু চিন্তা ভাবনা করে করবেন। আপনাদেরকেও আমি চিনি। আমি যখন সাংবাদিকদের সাথে সম্পর্ক ভাল সে সুবাদে আপনারা আমার বিরুদ্ধে এসবের নিউজ করতে পারেন না। আমার বিরুদ্ধে ইয়াবা মামলাগুলো ষড়যন্ত্রমূলক, আমি মাদক ব্যবসা করিনা। আমার যে মাদকের লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন, এসব আমার মোবাইল ছিনতাইকারীরা নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে হয়তো কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করছে।
এই মাদক ব্যবসায়ীর বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার শাকিল আহমেদের কাছে বারবার কল করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া নেওয়া সম্ভব হয় নাই। মোবাইলে বার্তা পাঠিয়েও কোন উত্তর আসেনি।
আমাদের ডেস্ক : : চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাশেদা বেগম (৩...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : মৎস্য চাষ ও উৎপাদনে অসামান্য অবদান রাখায় ৪ জনকে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। 'রূপালি মৎস্যে ...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : টেকনাফ সদরের ডেইল পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া টেকনাফ মাদ্রাসার ছাত্র, হাফেজ আর...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জান...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : নীল জলরাশির বুকজুড়ে প্রবাল, সাদা বালুর সৈকত আর সারি সারি নারকেলগাছ-প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সেন্ট...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited