শিরোনাম
খবর বিজ্ঞপ্তি | ০৭:৪৮ পিএম, ২০২৬-০৯-১৩
আয়াছ রনি।।
কক্সবাজার সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মৌজা ঝিলংজা। পর্যটননির্ভর কক্সবাজার শহরের বিস্তৃত অংশ, আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এ মৌজার ভূমির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে এখানে ভূমির মালিকানা, দখল, দাগ, পরিমাণ ও শ্রেণির সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে ঝিলংজা মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের কার্যক্রমকে ঘিরে ভূমি মালিকদের মধ্যে যেমন আগ্রহ রয়েছে, তেমনি নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও গুজবও ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে একটি শ্রেণির মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ভূমি মালিক জরিপের প্রকৃত প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। অথচ সরকারি জরিপ ব্যবস্থায় ভূমি মালিকের নিজের অংশগ্রহণ ও সঠিক কাগজপত্র উপস্থাপনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কেন প্রয়োজন ঝিলংজা মৌজার নতুন জরিপ?
একটি ভূমি জরিপের মূল উদ্দেশ্য হলো মাঠপর্যায়ের বাস্তব অবস্থা, দাগের অবস্থান, জমির পরিমাণ, শ্রেণি, মালিকানা ও দখলের তথ্য যাচাই করে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড ও নকশা প্রস্তুত করা।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জমির মালিকানা পরিবর্তন, ক্রয়-বিক্রয়, উত্তরাধিকার, বণ্টন, নামজারি, দাগ বিভাজন, জমির ব্যবহার পরিবর্তনসহ নানা কারণে পুরোনো রেকর্ডের সঙ্গে বাস্তব অবস্থার পার্থক্য তৈরি হতে পারে। তাই নতুন জরিপের মাধ্যমে বিদ্যমান তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়।
বিশেষ করে ঝিলংজার মতো দ্রুত নগরায়ণ ও ভূমির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া এলাকায় সঠিক রেকর্ড ভবিষ্যৎ ভূমি বিরোধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তসদিক কেন জরিপের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ?
জরিপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হলো তসদিক বা রেকর্ডের সত্যায়ন। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সাধারণ নির্দেশিকায় তসদিককে রেকর্ড প্রস্তুতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ পর্যায়ে খসড়া খতিয়ানে থাকা মালিকের নাম, স্বত্ব, দখল, অংশ, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি ও পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য দলিলপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়।
অর্থাৎ, তসদিক শুধু কর্মকর্তার কাজ নয়, এটি ভূমি মালিকের জন্যও নিজের জমির রেকর্ড যাচাই করার বড় সুযোগ।
তসদিকের সময় ভূমি মালিকের উচিত—
নিজের খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করা,
দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ মিলিয়ে দেখা,
দলিল, নামজারি খতিয়ান ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য প্রস্তুত রাখা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি হলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র উপস্থাপন করা, নিজের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, ঠিকানা ও অংশের পরিমাণ সঠিক আছে কি না দেখা, কোনো ভুল থাকলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া। সরকারি নির্দেশনায় তসদিকের সময় ভূমি মালিকদের দলিলপত্র দেখিয়ে রেকর্ডের ভুল-ত্রুটি সংশোধনের সুযোগের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
খতিয়ানে ‘ডিস্পোর্ট’ বা আপত্তি কেন দেওয়া হয়?
জরিপের কোনো পর্যায়ে ভূমি মালিক যদি দেখেন তাঁর জমির রেকর্ডে ভুল রয়েছে অথবা মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তাহলে নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ায় আপত্তি বা বিবাদ মামলা করার সুযোগ রয়েছে।
ভূমি মালিকের ভাষায় যাকে অনেক সময় ‘ডিস্পোর্ট’ বলা হয়, সেটি মূলত রেকর্ডের কোনো তথ্য নিয়ে আপত্তি উত্থাপন এবং তা নিষ্পত্তির একটি আইনগত প্রক্রিয়া।
যেমন—
মালিকের নাম ভুল,পিতা বা স্বামীর নাম ভুল, দাগ নম্বর ভুল,জমির পরিমাণ কম-বেশি,মালিকানার অংশ ভুল,অন্যের নামে জমি রেকর্ড, জমির শ্রেণি নিয়ে আপত্তি,
দখল বা স্বত্ব নিয়ে বিরোধ,
একই জমি নিয়ে একাধিক পক্ষের দাবি।এসব বিষয়ে প্রমাণসহ আপত্তি উত্থাপন করা যায়।
১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ২৮ বিধিতে আপত্তি
জরিপের খসড়া প্রকাশের পর রেকর্ডে কোনো ভুল বা আপত্তিকর বিষয় থাকলে State Acquisition and Tenancy Rules, 1955-এর Rule 28-এর অধীনে আপত্তি উত্থাপনের বিধান রয়েছে।
তাই খসড়া খতিয়ানে নিজের জমির তথ্য ভুল দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আপত্তি দাখিল করাই আইনসম্মত পথ।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপত্তি বা ‘ডিস্পোর্ট’ করা মানেই জমি হারিয়ে যাওয়া নয়। বরং রেকর্ডের ভুল বা বিরোধ যাচাই করে আইনগতভাবে নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হয়।
আপত্তি বা বিবাদ মামলা কীভাবে নিষ্পত্তি হয়?
আপত্তি দাখিলের পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়।
শুনানির সময় উভয় পক্ষ নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন এবং দলিলপত্র ও অন্যান্য প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ পান।
এরপর সংশ্লিষ্ট আপত্তি কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র, রেকর্ড, নকশা, দখলসহ প্রাসঙ্গিক বিষয় যাচাই করে সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
সিদ্ধান্তে কোনো পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ধাপে আপিলের সুযোগ থাকতে পারে।
অর্থাৎ, খসড়া রেকর্ডে নিজের দাবি না থাকলে বা ভুল থাকলে দালালের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপত্তি ও প্রমাণ উপস্থাপন করাই নিরাপদ পদ্ধতি।
যারা বুঝারত পর্চা পাননি, তাদের জন্যও রয়েছে সুযোগঃ
ঝিলংজা মৌজার ভূমি মালিকদের মধ্যে অনেকে হয়তো কোনো কারণে বুঝারত বা মাঠ পর্চা হাতে পাননি। এ কারণে তাদের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। জরিপের তসদিক কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিকের রেকর্ড যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পর্চা খোলার সুযোগ রয়েছে—অর্থাৎ, বুঝারত পর্যায়ে পর্চা না পাওয়াকে জরিপে নিজের জমির দাবি উপস্থাপনের সুযোগ শেষ হয়ে যাওয়া হিসেবে দেখা উচিত নয়।
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুঝারত পর্যায়ে প্রস্তুত করা খতিয়ান বা পর্চা ভূমি মালিককে সরবরাহ করা হয়। পরবর্তী তসদিক পর্যায়ে জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র ও প্রমাণাদি যাচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এই পর্যায়েও ভূমি মালিক পর্চা ও নকশায় ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন মনে করলে উপযুক্ত প্রমাণসহ তা উপস্থাপন করতে পারেন।
ফলে বুঝারত পর্চা না পাওয়া ভূমি মালিকদের উচিত সরাসরি সংশ্লিষ্ট জরিপ/তসদিক ক্যাম্পে যোগাযোগ করা। নিজের জমির দলিল, পূর্বের খতিয়ান বা পর্চা, নামজারি কাগজপত্র, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং মালিকানার পক্ষে থাকা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে তসদিক কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে দালালের কাছে গিয়ে টাকা দিয়ে ‘পর্চা খুলে দেওয়া’ বা ‘রেকর্ড ঠিক করে দেওয়ার’ প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। সরকারি নির্দেশনায় জরিপ কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ে ভূমি মালিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। এমনকি সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মাঠ পর্চা বুঝারত-তসদিক পর্যায়ে বিনামূল্যে বিতরণের কথা বলা হয়েছে এবং জরিপসংক্রান্ত লেনদেন নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়ার বাইরে করা নিষিদ্ধ।
বুঝারত পর্চা পাননি বলে জমির রেকর্ড নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তসদিক কার্যক্রমে ভূমি মালিকের মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাইয়ের সুযোগ রয়েছে। তাই দালালের মাধ্যমে নয়, সরাসরি সংশ্লিষ্ট জরিপ ক্যাম্পে গিয়ে নিজের জমির তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করাই হবে ভূমি মালিকের সবচেয়ে নিরাপদ ও সঠিক পথ।
ভূমি মালিকেরা কীভাবে জরিপ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করবেন?
জরিপকে নির্ভুল করতে ভূমি মালিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।
প্রথমত, নির্ধারিত তারিখে ভূমি মালিক বা তাঁর বৈধ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট দলিল, পুরোনো খতিয়ান/পর্চা, নামজারি কাগজপত্র, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া হলে প্রয়োজনীয় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কাগজপত্র।
দ্বিতীয়ত, নিজের জমির প্রকৃত তথ্য গোপন না করে কর্মকর্তাদের জানাতে হবে।
তৃতীয়ত, কোনো ভুল ধরা পড়লে মাঠপর্যায়ের কর্মী বা কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় না গিয়ে লিখিত ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিষয়টি উপস্থাপন করা উচিত।
ঝিলংজার তসদিক কার্যক্রম নিয়ে ২০২৬ সালের একটি গণসংযোগ ও অবহিতকরণ সভাতেও ভূমি মালিকদের খতিয়ান, দলিল, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন করের রসিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অংশগ্রহণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
দালালদের অপপ্রচার থেকে কীভাবে বাঁচবেন ভূমি মালিকরা?
জরিপকে ঘিরে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে তথ্যের ঘাটতি এবং গুজব। এর সুযোগ নেয় একটি শ্রেণির দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী।
কক্সবাজারের ঝিলংজা মৌজার জরিপ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন অভিযোগও এসেছে যে, কেউ কেউ নিজেদের ‘সার্ভেয়ারের লোক’, ‘ভূমি অফিসের এজেন্ট’ বা ‘জরিপ ফিক্সার’ পরিচয় দিয়ে ভূমি মালিকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং টাকা দিলে রেকর্ড ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে।
এ ধরনের প্রস্তাব থেকে ভূমি মালিকদের সম্পূর্ণ দূরে থাকতে হবে।
একটি বিষয় পরিষ্কার—কোনো দালালের কাছে টাকা দিয়ে জমির রেকর্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা ভূমি মালিকের জন্য যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করে।
জরিপ নিয়ে কোনো তথ্য জানতে হলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অফিস, সেটেলমেন্ট অফিস অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে হবে। ফেসবুক পোস্ট, স্থানীয় দালাল কিংবা ‘অমুক কর্মকর্তার লোক’ পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির কথাকে সরকারি তথ্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
ভূমি মালিকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
ঝিলংজা মৌজার ভূমি মালিকদের মনে রাখতে হবে—জরিপ কোনো আতঙ্কের বিষয় নয়; বরং নিজের জমির রেকর্ড যাচাই ও ভুল সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
ভূমি মালিকের দায়িত্ব হলো নিজের জমির কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা, নির্ধারিত সময়ে জরিপ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, খসড়া রেকর্ড ভালোভাবে যাচাই করা এবং কোনো অসঙ্গতি থাকলে যথাসময়ে আপত্তি দাখিল করা।
অন্যদিকে জরিপ নিয়ে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ তৈরি হলে দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কাছে তথ্য যাচাই করতে হবে।
কারণ, দালালের মুখের কথা নয়—ভূমির কাগজপত্র, সরকারি রেকর্ড এবং নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়াই হবে জমির মালিকানা ও রেকর্ড যাচাইয়ের প্রধান ভিত্তি।
ঝিলংজা মৌজার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একটি নির্ভুল ভূমি রেকর্ড শুধু বর্তমান ভূমি মালিকের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। জরিপের প্রতিটি ধাপে ভূমি মালিকের সচেতন অংশগ্রহণ থাকলে ভুল রেকর্ডের সম্ভাবনা কমবে, ভূমি বিরোধ কমবে এবং সরকারি ভূমি ব্যবস্থাপনাও আরও স্বচ্ছ হবে।
তাই ‘দালালের মাধ্যমে কাজ করাব’ নয়, ‘নিজের কাগজ নিজে যাচাই করব’—এই সচেতনতাই হতে পারে ঝিলংজার ভূমি মালিকদের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
অনলাইন ডেস্ক: : দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউস সানি মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেক...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রাজধানীতে পৃথক স্থান থেকে নারীসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মর...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের চকরিয়ায় দিনদুপুরে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ৬-৭ জনের একদল ডাকাত বাড়িতে ঢুকে বাড়ির লোক...বিস্তারিত
টেকনাফ প্রতিনিধি : : কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে নাফ নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া দুই বন্ধুকে...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আইন শৃংখলা বাহিনীর কঠোরতার মাঝেও টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited