শিরোনাম
অনলাইন ডেস্ক: | ০৭:০৭ পিএম, ২০২৬-০৯-০৭
‘আমার সন্তান কোথায়?’ এই প্রশ্ন তুলে নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত সন্ধান, নিরাপদ প্রত্যাবর্তন এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ঘটনাগুলোর পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন নিখোঁজ শিশুদের পরিবারের সদস্যরা।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘আমার সন্তান কোথায়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এইসব দাবি জানানো হয়। নিখোঁজ শিশুদের পরিবারের উদ্যোগে এবং জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাদাত রহমানসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা প্রায় ৪০ জন নিখোঁজ শিশুর পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর বছরের পর বছর ধরে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পাওয়া যাচ্ছে হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের সন্ধান। ফলে একদিকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো, অন্যদিকে নিখোঁজের অনেক ঘটনাই থেকে যাচ্ছে অমীমাংসিত।
তারা নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত খুঁজে বের করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ঘটনাগুলোর পুনঃতদন্ত ও অগ্রগতি পর্যালোচনা, শিশু নিখোঁজ ও পাচার প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সংখ্যা ২০২৪ সালে ছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৫০০। চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত শিশু নিখোঁজ সংক্রান্ত ১৫ হাজার ৭১৭টি জিডি দায়ের হয়েছে বলে জানানো হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ১৫ হাজার ৭১৭ জন নিখোঁজ শিশুর মধ্যে ৮৭ শতাংশের বেশি শিশু উদ্ধার হয়েছে। সংখ্যায় এটি ১৩ হাজার ৬৭৯ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২,০৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ।
বক্তারা বলেন, এসব তথ্য শুধু সাম্প্রতিক কয়েক বছরের চিত্র। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে শিশু নিখোঁজ, অপহরণ ও পাচারের ঘটনা ঘটছে। এর অনেক ঘটনাই এখনো অমীমাংসিত। তাই নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালে সিলেটে শিশু মুনতাহা নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের পর নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে অ্যাম্বার অ্যালার্ট ব্যবস্থা চালুর দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের সমন্বয়ে ‘মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন’ বা ‘মুন অ্যালার্ট’ এবং টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯-এর কার্যক্রম চালু করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে এটি দেশব্যাপী শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধ ও উদ্ধারে সহায়ক উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। সংবাদ সম্মেলন শেষে নিখোঁজ শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচির কথাও জানানো হয়।
তথ্যসূত্র:
১। ২০৩৮ শিশু এখনো নিখোঁজ, উদ্ধারে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ চান স্বজনরা
– https://tinyurl.com/w3cu2w4z
আমাদের ডেস্ক : : দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনমনে উদ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন (জাতীয় সমঝোতা) বিষয়ক জাপান সরকারের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনে...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : সোমবার প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে তিনটি বিল পাস করেছে বিএনপি সরকার। এর মধ্যে দুটি মানবাধিকার সুরক্...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : “আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—আশ্রিত প্রায় ১.৫ মিলিয়ন বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে যেন ...বিস্তারিত
অনলাইন ডেস্ক: : বর্তমানে দেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকার বেশি বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Coxsbazar | Developed By Muktodhara Technology Limited